কিভাবে কাশি দূর করা যায়? কাশি দূর করার উপায়। কাশি ভালো করার উপায়। কাশি হলে করণীয়।

কিভাবে কাশি দূর করা যায়? কাশি দূর করার উপায় - কাশি ভালো করার উপায়

বর্তমানে আমাদের অনেকেরই কাশতে দেখা যায়। বিশেষ করে শীতকালে পাশে প্রকোপ বেড়ে যায়। শীতকালে আমাদের অনেকেরই কাশ বেড়ে যায় বা কাশতে শুরু করে দেয়। তখন আমরা বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে থাকি বা বিভিন্ন উপায়গুলো খুঁজতে থাকি। যেগুলোর মাধ্যমে আমাদের কারো কাশ দূর করা যায়। কাশের বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে। আমরা চেষ্টা করি যেকোনো কাশই হোক না কেন তা যেন খুব দ্রুত সেরে যায়। 

আমরা যাতে কাশির প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে পারে। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন হয় যে আমরা সঠিকভাবে জানিনা কিভাবে আমাদেরকে কাশি দূর করতে হয়। কাশি দূর করার জন্য আমরা বিভিন্ন উপায়গুলো অবলম্বন করতে পারি। কাশি দূর করার জন্য আমরা বিভিন্ন রকম ঘরোয়া উপায় গুলো অবলম্বন করতে পারি। যে উপায়গুলো অবলম্বন করার মাধ্যমে আমরা খুব দ্রুত আমাদের কাশি দূর করতে পারি আপনারা কাশ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। 

আমাদেরকে জানতে হবে আসলে আমাদের করণীয় গুলো কি কি? কিভাবে কাশি দূর করা যায়। কাশি হলে আমাদের করণীয় কি? যদি আমরা এই বিষয়গুলো জানি যদি আমরা জানি যে কাশি হবার পর ঘরোয়া উপায় গুলো। তাহলে আমরা তারাতারি আমাদের কাশি দূর করতে পারব।

তো চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে কাশি দূর করা যায়? কাশি দূর করতে করণীয়। কাশি ভালো করার উপায়। কিভাবে কাশি কমানো যায় সে সম্পর্কেঃ

  • কিভাবে কাশি দূর করা যায়?
  • কাশি দূর করার উপায়।
  • কাশি ভালো করার উপায়।
  • কাশি হলে করণীয়।
  • কাশি দূর করার ঘরোয়া উপায়।
  • কাশি থেকে রেহাই পাবার উপায়।
  • কাশ ভালো করার উপায়।
  • কাশ হলে করণীয়।
  • কাশি কমানোর উপায়।
  • কাশি হলে কি কি করতে হবে?
  • কি কি করলে কাশি দূর হবে?

মধু ব্যবহার

মধুকে বলা হয় সর্ব রোগের ঔষধ। তাই অনেক রোগের ক্ষেত্রে বা অনেক কাজে আমরা মধু ব্যবহার করে থাকে অথবা মধু খেয়ে থাকে। ঠিক তেমনি মধু আপনি কাশি হলো ব্যবহার করতে পারেন অথবা খেতে পারেন। আপনার যদি কাশি থাকে তখন আপনি কাশি দূর করার জন্য মধু খেতে পারেন। এবং বিভিন্ন উপায়ে মধু খেতে পারেন। আপনি চাইলে কিছু মধু হালকা কুসুম গরম করে খেতে পারেন অথবা এমনিতেই মধুও খেতে পারেন। 

চাইলে আপনি পানির সাথে মিশিয়ে অর্থাৎ আপনি কিছু গরম পানির সাথে কিছু পরিমাণ মধু মিশিয়ে। তারপর আপনি আপনার কাশি দূর করার জন্য খেতে পারেন। আপনি যদি কিছু গরম পানির সাথে কিছু পরিমাণ মধু মিশিয়ে। তারপর সেগুলো খেতে পারেন এবং যদি আপনি নিয়মিত কয়েকদিন খেতে পারেন। এবং দৈনিক যদি আপনি কয়েকবার মধু এবং গরম পানি খেতে পারেন। তাহলে আপনার কাশি দূর করতে অনেকটাই সাহায্য করবে আপনার কাশি কমে যাবে।

লবণ পানির গারগোল

আমরা লবণ-পানির গারগল বিভিন্ন রোগের জন্য বিভিন্ন সমস্যার জন্য করে থাকি। লবণ পানির গারগোল বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে সমাধান হতে পারে। এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে লবণ পানির ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ঠিক তেমনি আপনি আপনার কাজের ক্ষেত্রেও লবণ পানির ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি হালকা কিছু গরম পানি নিবেন এবং সেগুলোর সাথে কিছু পরিমাণ লবণ মিশিয়ে নেবেন। এরপর আপনি সেগুলো দিয়ে গার্গল করতে পারেন। এতে করে আপনার কাশি দূর হবে। আপনি এটি দিনে কয়েকবার করতে পারে এবং আপনি যদি নিয়মিত কয়দিন গারগল করেন। তাহলে আপনার কাছে দূর হতে অনেকটা সাহায্য করবে। যদি আপনার কাশ থাকে তাহলে আপনি এখন থেকে লবণ পানির গারগোল করতে পারেন।

আদা ব্যবহার 

আপনার কাশি কমানোর ক্ষেত্রে আদা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আদা আপনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আপনার কাশি হলে আপনি কাশির ক্ষেত্র গরম পানি আদা ব্যবহার করতে পারেন। আপনি কিছু পরিমাণ আদা কুচি কুচি করে খেতে পারেন। আপনার কাশি দূর করার জন্য এছাড়া আপনি কিছু পরিমাণ গরম পানির সাথে হঠাৎ হালকা কুসুম গরম পানির সাথে কিছু পরিমাণ আদা কুচি কুচি করে। তারপর সেগুলো আপনি গরম করে নিন। এরপর আপনি সেগুলো খেতে পারেন। এছাড়াও আপনি চাইলে অন্য যেকোন ভাবে খেতে পারেন। যেগুলো আপনার জন্য ভালো হবে। আপনি যদি যেকোনোভাবে আদা খান না কেন এতে আপনার কাশির ক্ষেত্রে খুবই ভালো হতে পারে।

তুলসি পাতা

কিভাবে কাশি দূর করা যায়? কাশি দূর করার উপায় - কাশি ভালো করার উপায়
কাশি দূর করার জন্য তুলসী পাতা খুবই উপকারী। আপনি তুলসীপাতা যদি খেতে পারেন। তাহলে আপনার কাশি অনেকটাই কমে যেতে পারে। আপনি বিভিন্নভাবে তুলসী পাতা খেতে পারেন।তুলসী পাতার রস খেতে পারেন। তুলসী পাতার রস কাশি দূর করার খুবই উপকারী। আপনি কিছু পরিমাণ তুলসীপাতা নেবেন এবং সেগুলো কিছু পরিমাণ পানিতে ছেড়ে দিবেন। 

তারপর সেই পানি এবং তুলসী পাতা গরম করতে থাকবেন গরম হয়ে যাওয়ার পর। আপনি হালকা কুসুম গরম করে নেবেন তুলসী পাতা এবং পানি। তারপর আপনি সেখান থেকে সেই তুলসী পাতা এবং পানি খাবেন। তাহলে আপনি আপনার কাশির ক্ষেত্রে ভাল ফলাফল পাবেন। এছাড়া আপনি তুলসী পাতার রস খেতে পারেন। কিছু পরিমাণ গরম পানির সাথে মিশিয়ে যেভাবে আপনি তুলসীপাতার রস খাবেন। আপনার কাশের ক্ষেত্রে খুবই উপকার হতে পারে।

বাসক পাতা

বাসক পাতা তুলসী পাতার মতো উপকারী। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষজন তাদের কাশির জন্য বাসক পাতা ব্যবহার করে আসছে। বাসক পাতা খুবই উপকারী কাশির ক্ষেত্রে। আপনার যদি কাশি হয়ে থাকে তখন আপনি কিছু পরিমাণ বাসক পাতা নিবেন এবং সমপরিমাণ অথবা যে পরিমাণ পানির প্রয়োজন। সেই পরিমাণ পানি নিবেন। তারপর বাসক পাতা এবং পানি গরম করতে থাকবেন। হালকা কুসুম গরম পানি হয়ে গেলে তারপর আপনি সেগুলোকে নামিয়ে নেবেন। এরপর আপনি সেই বাসক পাতা দিয়ে গরম করা পানি গুলো খেয়ে নেবেন। এভাবে যদি আপনি নিয়মিত কয়েকদিন করেন এবং প্রতিদিনই যদি কয়েকবার করে বাসক পাতা এবং গরম পানি খেতে পারেন। তাহলে আপনার কাশি অনেকটাই কমে যেতে পারে।

গরম দুধ আর হলুদ

কাশির ক্ষেত্রে হলুদ খুবই উপকারী। আপনি কিছু পরিমাণ হলুদের গুঁড়ো এবং কিছু দুধ নিয়ে কাশির ক্ষেত্রে খেতে পারেন। আপনি প্রথমে কিছু পরিমাণ দুধ দিবেন। এরপর সেখানে কিছু পরিমাণ হলুদের গুঁড়া ছেড়ে দিবেন। এরপর দুটো আপনি খুব ভালোভাবে করে নেড়ে নিবেন। যাতে করে হলুদের গুঁড়ো গুলো দুধের সাথে খুব ভালোভাবে মিশে যায়। এরপর আপনি সেগুলো হালকা কুসুম গরম করে নেবেন। হালকা কুসুম গরম হয়ে গেলে আপনি সেগুলো কে নেড়ে নেবেন। এরপর আপনি সেগুলো আপনার সময় অনুযায়ী খেয়ে নেবেন। এভাবে আপনি দৈনিক কয়েকবার করতে পারেন। তাহলে দেখবেন আপনার কাশ একটু হলেও কমে যাবে।

লবঙ্গ

লবঙ্গ আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে থাকি। আমরা আমাদের রান্নার কাজেও লবঙ্গ ব্যবহার করে থাকি। লবঙ্গ শুধু রান্নার কাজে না। এটি আপনার কাশ দূর করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি কিছু পরিমাণ লবঙ্গ নিবেন। এবং সেগুলো আপনি কিছু পরিমান পানিতে রাখতে পারেন। এছাড়া আপনি লবঙ্গের গরম পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন। আপনি যদি কিছু পরিমাণ লবঙ্গ নিয়ে কিছু পরিমাণ পানিতে মিশিয়ে নেন। এবং সে গুলোকে হালকা কুসুম গরম করে। তারপর খান। তাহলে দেখবেন আপনার কাশ কিছুটা হলেও ভালো হবে। এছাড়া কিছু কিছু পরিমাণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারে। তারপর আপনার প্রয়োজন মত আপনি সেগুলো খেতে পারেন। আপনার কাশি ভালো হওয়ার জন্য।

বেশি করে পানি পান

কিভাবে কাশি দূর করা যায়? কাশি দূর করার উপায় - কাশি ভালো করার উপায়
আমাদের সবসময় উচিত পানি পান করা। তবে আমাদের শরীর যদি খারাপ হয়। বিশেষ করে আমাদের যদি কাশি হতে থাকে। তখন আমাদের উচিত বেশি করে পানি পান করা। তবে খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো যাতে ঠান্ডা পানি না হয়। কেননা আপনি যদি ঠান্ডা পানি পান করা তাহলে আপনার কাশি বেড়ে যেতে পারে। তাই অবশ্যই আপনার যদি কাশি হয়। 

তাহলে আপনাকে বেশি করে পানি পান করতে হবে। এবং সেই পানিগুলো আপনি হালকা কুসুম গরম করে নেবেন। সেই পানিগুলো খুব গরম হবে না এবং খুব ঠান্ডাও হবে না। হালকা কুসুম গরম পানি করে নেবেন। এগুলো আপনি যাতে খুব ভালোভাবে খেতে পারেন। আপনার খেতে যাতে কোনরকম সমস্যা না হয়। আপনি যদি বেশি করে হালকা কুসুম গরম পানি পান করেন। তাহলে আপনার কাশি কমতে সাহায্য করবে।

গোল মরিচ গুড়া

গোলমরিচ সাধারণত আমরা রান্নার কাজে মসলা হিসেবে ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমরা কি জানি গোলমরিচ আমাদের কাশির ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। অর্থাৎ আপনি আপনার কাশির জন্য ব্যবহার করতে পারেন। আপনার যদি কাশ থাকে তাহলে আপনি কিছু পরিমাণ গোলমরিচ নিয়ে সেগুলো কিছু পরিমাণ পানিতে মিশিয়ে নেবেন। এরপর আপনি সেই পানি গুলোকে হালকা কুসুম গরম করবেন। এরপর আপনি আপনার প্রয়োজন মত খেতে পারেন। আপনি চাইলে কিছু পরিমাণ গোলমরিচের গুড়ো নেবেন। 

তারপর আপনার সেগুলো কিছু পরিমাণ পানিতে রাখবেন। আপনি পানি এবং ভালোভাবে মিশ্রন করে নেবেন। আপনার পানি এবং গোলমরিচের মিলন করা হয়ে গেলে। আপনি সেগুলো একটু সুন্দর ভাবে হালকা গরম করে নিবেন। যাতে করে আপনি খেতে পারেন। এরপর আপনি হালকা কুসুম গরম করার পর সেগুলো আপনার প্রয়োজন মত আপনি আপনার সময় মত খেতে পারেন। এতে করে আপনার কাশি কমতে পারে।

আরও পড়ুনঃ কিভাবে গলা ব্যথা দূর করা যায়? গলাব্যাথা হলে করণীয় - গলা ব্যথা দূর করার উপায়


পেঁয়াজের রস

আপনি এত দিন পেঁয়াজ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে আসছেন। বিশেষ করে আপনার রান্নার কাজে অথবা ঝালমুড়ি বানানোর জন্য পেঁয়াজ ব্যবহার করে আসছে। এ ছাড়া বিভিন্ন রকম ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমরা হয়তো অনেকেই এটা জানে না যে আমাদের কাশি কমাতে সাহায্য করে। অর্থাৎ আপনার যদি কাশি হয়। তাহলে আপনি পেঁয়াজের ব্যবহার করতে পারেন। পেঁয়াজ খেতে পারেন। এজন্য আপনি কিছু পরিমাণ প্রথমে কুচি কুচি করে নেবেন। তারপর সেগুলো পেঁয়াজ কুচি অনুযায়ী যতোটুকু পরিমাণ পানির প্রয়োজন। ততটুকু পরিমাণ পানি নেবেন। এরপর আপনি পেঁয়াজ এবং পানির সুন্দর করে হালকা কুসুম গরম করে নেবেন। 

এরপর আপনি পেঁয়াজগুলো চেঁকে নিবেন। তারপর অবশিষ্ট পানি গুলো আপনি আপনার সময় মত খেয়ে নেবেন। এছাড়া আপনি চাইলে পেঁয়াজের রস খেতে পারেন। প্রথমে আপনি কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ কুচি করে নেবেন। তারপর সেগুলো থেকে রস বের করে নেবেন। তারপর আপনি কিছু পরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে নেবেন। এরপর আপনি এই মিশ্রণটি সুন্দর করে হালকা কুসুম গরম করে নেবেন। তারপর সেগুলো খেলে আপনার পাশি কমতে পারে। তাই আপনি আপনার কাশি কমানোর জন্য বা কাশি দূর করার জন্য পেঁয়াজের ব্যবহার করতে পারেন।

যস্টি মধু

যষ্টিমধু এটিও কাশির জন্য খুবই ভালো। আপনার যদি কাশ থাকে। তাহলে আপনি যষ্টি মধু খেতে পারেন। আমি আপনার প্রয়োজন মত কিছু পরিমাণ যষ্টিমধু নিতে পারেন। এরপর সেগুলো আপনি পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। এরপর আপনি সেই পানি গুলো খেতে পারেন। এছাড়াও আপনি চাইলে যষ্টিমধু কিছু পরিমাণ আপনার মুখের মধ্যে রেখে দিতে পারেন। আপনি যদি কিছু পরিমাণ যষ্টিমধু আপনার মুখের মধ্যে রাখেন। তাহলে জষ্টিমধুর গুড়ো আস্তে আস্তে আপনার মুখের মধ্যে যাবে। এবং সেগুলো আপনার কাশ দূর করার জন্য উপকারী হবে। এছাড়া আপনি যষ্টিমধু বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করতে পারেন। যেভাবে ব্যবহার করলে আপনার সুবিধা হবে। আপনি যষ্টিমধু সেভাবেই ব্যবহার করে কাশি কমাতে পারেন।

লবণ আদা

কিভাবে কাশি দূর করা যায়? কাশি দূর করার উপায় - কাশি ভালো করার উপায়

আমরা আগেই জেনেছি যে কাশি কমানোর জন্য আদার অনেক কথা বলে হয়ে থাকে। অর্থাৎ আদা খেলে কাশি কমতে পারে। কিন্তু আদার অনেক ধরনের ব্যবহার রয়েছে। তাই আদা লবণ আদার আরেকটি ব্যবহার যেটি কাশি কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আপনি প্রথমে কিছু পরিমাণ আদা কুচি কুচি করে নেবেন। তারপর সেগুলো আপনি লবণ দিয়ে খেতে পারেন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি কিছু পরিমাণ আদা কুচি করে নেবেন। সেগুলোর সাথে আপনি খুব ভালোভাবে কিছু পরিমাণ লবণ মিশিয়ে নেবেন। এরপর আপনি এগুলো খাবেন। তাহলে দেখবেন আপনার কাশি অনেকটাই কমে যেতে সাহায্য করবে।

গাজর

গাজর খুবই ভাল একটি সবচেয়ে সবজি ও ফল। কিন্তু আজকে আমরা জানবো কিভাবে গাজরের মাধ্যমে কাশি কমানো যায়। আমরা সবজি এবং ফল হিসেবে এতদিন খেয়ে আসছি। কিন্তু আমরা কি জানি যে গাজর দিয়ে আমাদের কাশি কমানোর যাবে। কাশি দূর করা যাবে। আমাদের কাশি ভালো হতে সাহায্য করবে। আপনার যদি কাশি হয় তাহলে আপনি কিছু পরিমাণ বা বেশকিছু গাজর নেবেন। 

তারপর সেই গাজর গুলো টুকরো-টুকরো করবেন। এরপর আপনি গাজরের পরিমানমতো কিছু পানি নিবেন তারপর। সেই গাজর গুলো অর্থাৎ গাজরের টুকরোগুলো পানিতে ছেড়ে দেবেন। এরপর আপনি গাজরের টুকরো এবং পানি হালকা গরম করে নেবেন। তারপর সেগুলো আপনি খেতে পারেন। আপনি গাজর এবং গাজরের সাথে যে পানি গুলো রয়েছে সেগুলো খেতে পারেন। এতে করে আপনার কাশি কমাতে সাহায্য করবে।

লেবুর শরবত

কাশি দূর করা আরও একটি ভালো উপায় হল লেবুর শরবত। লেবুর শরবত আপনার কাশি কমানোর জন্য খুবই উপকারী। লেবুর শরবত আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। আর তাই লেবুর শরবত আমাদের কাশি কমানোর ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্ব রাখে। আপনি কিছু পরিমাণ লেবু নেবেন অর্থাৎ একটা অথবা দুইটা লেবু নেবেন। যতটা প্রয়োজন ততটা লেবু নিবেন। তারপর কিছু পরিমাণ পানি নেবেন। 

এবং পানিতে আপনি লেবু গুলো ভালোভাবে লেবুর রস বের করে পানিতে রাখবেন। এভাবে আপনি লেবুর শরবত খেতে পারেন। অথবা আপনি কিছু পরিমাণ লেবু নিয়ে সেগুলোর রস বের করে কিছু পানিতে রাখবেন। তারপর সেই পানিগুলো আপনি গরম করতে পারেন। আপনি সাথে কিছু পরিমাণ লবণ দেবেন। আপনি পানি, লেবুর রস এবং লবন রেখে হালকা গরম করে নেবেন। তারপর সেগুলো খেয়ে নেবেন। এতে করে আপনার কাশি দূর হবে কাশি ভালো হবে।

রসুন ও সরিষার তেল

কাশি দূর করার জন্য আর একটি উপায় হল রসুন ও সরিষার তেল। আপনি কিছু পরিমাণ রসুন নিয়ে তাতে কিছু পরিমাণ সরষের তেল মেখে নেবেন। আপনার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই আপনি ব্যবহার করতে চাচ্ছেন ততটুকুই নিবেন। তারপর সেগুলো আপনি হালকা গরম করে নিয়ে আপনার বুকে মালিশ করতে পারেন। এভাবে আপনি যদি রসুন ও সরিষার তেলের ব্যবহার প্রতিদিন এই কয়েক বার করতে পারেন। এবং এই ব্যবহার যদি আপনি কয়েকদিন করেন। তাহলে আপনার কাশি দূর হয়ে যাবে। আপনার কাশি কমে যাবে। তাই আপনিও আপনার কাশি দূর করার জন্য রসুন ও সরিষার তেলের ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে আমার কাশি দূর হবে। কাশি ভালো হবে। এছাড়াও আপনি চাইলে রসুন এবং সরিষার তেলের অন্যান্য ব্যবহার করতে পারেন।

এ ছিল আজকে কাশি দূর করার উপায়, কিভাবে কাশি দূর করা যায় সে সম্পর্কে আর্টিকেল। আপনারাও আপনাদের কাশি দূর করার জন্য যেসব উপায়গুলো অবলম্বন করে থাকেন সেগুলো শেয়ার করতে পারেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post