কিভাবে ভ্রমণের সময় বমি বমি ভাব এবং বমি আসা বন্ধ করা যায়? ভ্রমণে বমি বন্ধ করার উপায়।

কিভাবে ভ্রমণের সময় বমি বমি ভাব এবং বমি আসা বন্ধ করা যায়?
আমাদের অনেক সময় গ্রহণ করতে হয় ভ্রমণ করার সময় আমরা অনেকে বমি করে থাকি। সেটা হোক নারী বা পুরুষ নারী-পুরুষ উভয়। অনেক সময় ভ্রমণ করার সময় তাদের বমি বমি ভাব আসে অনেকে আবার বমি করে দেয় এটি ভ্রমণ করার সময় অত্যন্ত বিরক্ত করে। একটি কাজ যেটি আমরা কেউ চাই না তবুও এটি হয়ে যায়। আমরা সবাই চাই এটি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিন্তু অনেকে আমরা জানিনা ভ্রমণের সময় আমাদের ভূমি করা কিভাবে বন্ধ করব। অথবা ভ্রমণের সময় যে আমাদের বমি বমি ভাব আসে। সেটি আমরা কিভাবে বন্ধ করে ফেলব তাই আমাদেরকে জানতে হবে। কিভাবে ভ্রমণের সময় বমি বমি ভাব বন্ধ করা যায় এবং বমি আসা বন্ধ করা যায়।

তো চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে ভ্রমণের সময় বমি বমি ভাব এবং বমি আসা বন্ধ করবঃ

  • কিভাবে ভ্রমণে বমি বন্ধ করা যায়?
  • ভ্রমণে বমি বন্ধ করার উপায়।
  • কিভাবে ভ্রমণে বমি বমি ভাব বন্ধ করা যায়? 
  • ভ্রমণে বমি বমি ভাব বন্ধ করার উপায়
  • ভ্রমনে বমি হলে করণীয়
  • ভ্রমণে বমি বমি ভাব হলে করণীয়
  • ভ্রমণে বমি আসা
  • ভ্রমণে বমি বমি ভাব

সামনের সিটে বসা

আমরা যখন ভ্রমণে যাই তখন আমরা সবাই চাই। সামনের সিটে বসার জন্য ভ্রমণ বাঘেলি সামনের সিটে বসতে চায় না।
এমন মানুষ কম পাওয়া যাবে সামনের সিটে বসার অনেক সুবিধা আছে। আপনি যদি সামনের সিটে বসেন তাহলে আপনি কম খাবেন। এতে করে আপনার বমিবমি ভাব হবে না। বমি তেমন হবেনা আর হলেও এটি কমিয়ে দিবে। আর এজন্যই মানুষজন সামনের সিটে ভ্রমণ করতে চায়। তাই আপনার যদি ভ্রমণে বমি আসে বমি ভাব আসে। তাহলে আপনিও ভ্রমণ করার সময় সামনের আসনটি বেছে নিতে পারেন। এতে করে আপনার বমি বমি ভাব বন্ধ হবে রকম হবে। এবং বমি হওয়া টা কিছুটা হলেও কমবে।

জানালার পাশে বসা

আমরা ভ্রমণে যাওয়ার সময় সামনের সিটে যেমন আমরা সবাই বসতে চাই। ঠিক তেমনি আমরা সবাই চাই। জানালার পাশে বসার জন্য জানালার পাশে বসার অনেক কারণ আছে। জানালার পাশে বসে থাকি দৃশ্য দেখা যায়। বাইরেই চোখ রাখা যায় বমি বমি ভাব আসলে বাইরে বমি করা যায়। বমি আসলে বাইরে বমি করা যায় আরও একটি কারণ আছে। সেটি হল জানালার পাশে বসলে ভূমিকম্পে ভাবটা কম আসে। জানালার পাশে বসবে তখন আপনি প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে পারবেন। এবং আপনি বাসের যে ভেতরকার পরিবেশ আছে। সেটি আপনি তেমন পর্যবেক্ষণ না করে আপনি বাইরের দৃশ্য দেখতে থাকবেন। এতে করে আপনার চোখ স্থির হবে না। ভালোভাবে থাকবে আপনার মন স্থির হবে মন ভালো থাকবে। এতে করে বমি আসাটা বন্ধ হবে। বমি বমি ভাব কিছুটা হলেও কম হবে তা অবশ্যই ভ্রমণ করার সময় বাইরে বের। হবার সময় জানালার পাশে বসার চেষ্টা করুন।

চোখ বন্ধ রাখা

ভ্রমণ করার সময় যদি আপনার বমি বমি ভাব আসে অথবা বমি আসে। তাহলে আপনি ভ্রমণ করার সময় চোখ বন্ধ রাখতে পারেন। অথবা চাইলে আপনি হালকা ঘুম ও যেতে পারেন। এতে করে আপনার মনটা ভালো হবে আপনার বোকামি ভাষা বন্ধ হবে। এবং বমি করা থেকে বিরত থাকতে পারবেন অনেকে আছে। যারা ভ্রমণ করার সময় একটু ঘুরিয়ে নিতে পছন্দ করে। তাদের জন্য আসলে দমন করার ক্ষেত্রে তেমন একটা সমস্যা হয় না। কিন্তু অনেকে আছে যারা ভ্রমণ করার সময় ঘুমাতে চায় না চোখ বন্ধ করতে চায় না। তাদের জন্য কিছুটা সমস্যা হতে পারে। আপনিও ভ্রমণ করার সময় একটু হল চোখ বন্ধ করে রাখুন। একটু চোখ বন্ধ করার ভাব ধরে থাকুন। তাহলে আপনার বমি হওয়া টা কিছুটা হল কম হবে।

বই পড়া থেকে বিরত থাকা

কিভাবে ভ্রমণের সময় বমি বমি ভাব এবং বমি আসা বন্ধ করা যায়?
ভ্রমণ করার সময় আমরা অনেকেই বইপড়া পত্রিকা পড়া এগুলো পছন্দ করে। এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। ভ্রমণ করার সময় যদি আপনার ভ্রমণের সময় বমি বমি ভাব বা বমি আসে। আপনি যদি ভ্রমণে বসে বই পড়েন পত্রিকা পরের মোবাইল ব্যবহার করেন। তাহলে আপনার জীবনে আসতে পারে আপনার ঘুম ঘুম ভাব আসতে পারে আপনার বমি আসতে পারে। বমি করতে পারেন আমরা যারা মোবাইল ব্যবহার করেই বা পত্রিকা পড়ে। তাদের অনেক সময় পত্রিকা পড়তে পড়তে ঘুম এসে যাবে ঘুমের ভাব ধরে। তার গাড়িতে যদি ঘুম আসে ক্লান্তি বোধ হয় তাহলে আপনার মঙল দীপ আসতে পারে। তাই অবশ্যই আপনি যখন বাড়িতে থাকবে। তখন বই পড়া পত্রিকা পড়া এসব থেকে বিরত থাকবেন।


উল্টোদিকে না ফেরা

ভ্রমণের সময় অনেকেই আমরা উল্টো দিকে বসে কথা বলতে থাকে। ঘোরাঘুরি করতে থাকে আবার অনেকে ভ্রমণের সময় উল্টো দিকে ঘুরে গল্প করতে থাকে। উল্টো দিকে বসে পিছনে যাত্রীর সাথে বা পিছনে কারো সাথে বসে গল্প করতে থাকে। এ সময় কাটাতে চায় এটি উচিত নয় তাহলে আপনি যখন ভ্রমণের সময় উল্টো দিকেই ঘুরবে না। উল্টো দিকে বসে কথা বলবেন অথবা উল্টো দিকে হাটা হাটি করবেন। তখন আপনার একটু ঝিমুনি আসতে পারে ভালবাসতে পারে। এমনকি বমি আসতে পারে আপনি অস্বস্তিবোধ হতে পারে। আপনার যদি বমি আসে বাতাসে ভ্রমণে গেলে তখন অবশ্যই আপনি এই অভ্যাসটি পরিত্যাগ করবেন।

ভরাপেটে না যাওয়া

অনেক সময় দেখা যায় আমরা যখন ভ্রমণ করে। তখন ভরা পেটে ভ্রমণ করতে চায়। অনেকে যখন কোথাও ঘুরতে যায় বা বাইরে বের হয় অথবা বাস বা কোনো যানবাহন ও যাতায়াত করে তখন ভরা পেটে বের হয়। অর্থাৎ খাওয়া-দাওয়া করে তারপরে বের হয়। এতে করে আমাদের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বমি বমি ভাব আসে বমি আসে ভরা পেটে যদি আমরা ভ্রমণ করতে যায়। তখন আমাদের সরস্বতী বোধ হয় এবং পেটের ভিতরে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এ থাকো আমাদের বিভিন্ন রকম সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এবং পেটে যেত আমাদের সমস্যা যদি হয়। তাহলে তো আমাদের বমিভাব আসতে পারে বমি আসতে পারে। তাই আমরা যখন যাতায়াত করব। তখন আমরা ভরাপেটে ব্রহ্মন না করার চেষ্টা করব। হালকা কিছু খেয়ে তারপর বহন করার চেষ্টা করব।

বুমি হবে এটা না ভাবা

অনেকে আছে যখন আপনার বমি হয়। তখন বমি গুলোকে বন্ধ করে রাখে আটকে রাখে এগুলো ঠিক না আমরা যদি বমি আসে। তখন আপনি বমি করে দেওয়া উচিত কেননা এতে যদি পেটে কোন দূষিত থাকে। অথবা কোন রকম সমস্যা থাকে তাহলে বমি করার সাথে সেই জিনিস গুলো বেরিয়ে আসে এতে করে আপনি স্বস্তি পাবেন। বমি বমি আশাটা কিছুটা হলেও কমবে কমবে অন্যথায় আপনি যদি বমি আসলে যদি বমি বন্ধ করে রাখতে চান। তাহলে দেখা যাবে আপনার বমি আরো বেশি করে আবার কিছুক্ষণ পরপর আপনার সমস্যার সৃষ্টি হবে অস্বস্তি লাগবে। তাই বমি আসলে বমি আটকে রাখা উচিত।

ফ্রেস হওয়া

কিভাবে ভ্রমণের সময় বমি বমি ভাব এবং বমি আসা বন্ধ করা যায়?
আপনি যদি বমি বমি ভাব আসে অথবা বমি হয়। তখন আপনি ফ্রি হয়ে নিবে আপনি যখন ভ্রমণে বের হবেন। বা কোথাও বের হবে তখন আপনি ভালভাবে হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে তারপর বের হবেন। এতে করে আপনার মাঝে উজ্জলতা সৃষ্টি হবে। আপনার মন হালকা থাকবে ভালো থাকবে। আর মন ভালো থাকলে শরীর ভালো থাকবে। এছাড়া যখন যাত্রাবিরতি দিবে অথবা কোথাও যখন আপনি বিরোধী জন্য সময় পাবেন। অথবা আপনি আপনার জায়গা পাবেন। তখন আপনি সেখানে ২৩ হয়ে নিবেন। ভালোভাবে আপনার হাত মুখ ধুয়ে সুন্দর করে ফ্রেশ হয়ে নিবেন। এতে করে আপনি যে কিছু সময় ধরে জার্নি করলে অথবা ভ্রমণ করলেন। অথবা যানবাহনে ছিলেন যে অস্বস্তি বোধ ছিল যে আপনার মাঝি একজনই ছিল সেটি দূর হয়ে যাবে। আপনার ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে আপনার মন হালকা হবে। আপনার শরীর ভালো লাগবে এবং এতে করে আপনার যে বমি বমি ভাব বা বমি আসে। সেটি কমে যাবে এবং আপনি সুন্দর ভাবে থাকতে পারবেন।

বের হবার আগে তেল জাতীয় খাবার না খাওয়া

অনেকে আছে। যারা ভ্রমণ করার আগে বা বাইরে বের হওয়ার আগে তেল জাতীয় খাবার গুলো খেয়ে তারপর বের হয় এটি আসলে উচিত না। কেননা আপনি যখন ভরা পেটে অথবা তেলজাতীয় কোন কিছু খেয়ে তারপর বের হবেন। তখন আপনার পেটের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। তেল জাতীয় খাবার থেকে আপনার গ্যাসের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। আপনার পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আপনার অসুস্থতা এবং বমি বমি বমি ভাব এ বিষয়গুলো আমরা অনেকে খেয়াল করেনা। তাই আমরা কোথাও বের হওয়ার আগে তেল জাতীয় খাবার গুলো খেয়ে বের হয়। যেটি আমাদের মতে উচিত না তাই এখন থেকে আপনার যদি ভ্রমণের সময় বমি ভাব বা বমি আসে। তাহলে অবশ্যই ভ্রমণে বের হওয়ার আগে তেল জাতীয় খাবার খাবেন না।


টক জাতীয়

অনেকে আছে ভ্রমণে যাওয়ার সময় কিছু টক জাতীয় খাবার সাথে করে নিয়ে যায়। কিছু টক নিয়ে যায় সেটা হতে পারে বড়ই সেটা হতে পারে। তেতুল বা যেকোনো ধরনের টক জাতীয় খাবার একসাথে করে নিয়েছে। এতে করে যে বমি আসে। বাবু মনের ভাব আসে সেটি কমে যায়। এটি আসলে অনেক থেকে মানুষজন ব্যবহার করে আসছে। বিশেষ করে বয়স্করা এটি খুব ভালোভাবে ব্যবহার করছে। যে তারা যদি কোথাও ভ্রমণে যায় বা কোথাও ঘুরতে যায়। অথবা কোথাও যদি কোন কাজে যায়। তখন তারা অবশ্যই সাথে করে টকজাতীয় কিছু নিয়ে যায়। যাতে করে তারা বাসে অথবা কোন যানবাহনে ঘুরাঘুরির সময় যাতে করে তাদের বমি না আসে। গভীর ভাবনা আসে অথবা বমি আশাবুসলে যাতে টক জাতীয় খাবার গুলো খেয়ে তারা তাদের বমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাই আপনিও ভ্রমণের সময় বা কোথাও বের হওয়ার সময় সাথে করে টক জাতীয় কিছু নিয়ে যাবে।

এই ছিল ভ্রমণে বা যানবাহনে বমি বমি ভাব আসা, বমি করা, বমি বমি ভাব, বমি বন্ধ করার উপায় নিয়ে আর্টিকেল।

কিভাবে দাঁতের যত্ন নেওয়া যায়? দাঁত সুন্দর ও সুস্থ্য রাখার উপায়

Post a Comment

Previous Post Next Post